সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদানের কথা স্মরণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে ২০২৭ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি উদযাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই নেতা।
শিল্প, জ্বালানি, কৃষি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে চলমান সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি এসব খাতে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হয় ঢাকা ও মস্কো।
ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশি পণ্যের জন্য রাশিয়ার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে রুশ বিনিয়োগ বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি, রাশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রাশিয়া এ বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে।
এসময় ব্রিকস ও এসসিওতে বাংলাদেশের সদস্যপদের বিষয়ে রুশ সমর্থন চান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সফর শেষে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান তিনি।