তার মতে, ৫ আগস্টের পর ছাত্ররাজনীতির যে নতুন সূচনা হয়েছিল, সেটিকে কলুষিত করার পেছনে ছাত্রশিবিরের বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। সে সময় সংগঠিত শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক প্রভাব অনেকটাই তাদের হাতে ছিল, কিন্তু সেই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তারা সামগ্রিক উন্নয়নের বদলে নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। ফলে সম্ভাবনাময় পথগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্বচ্ছ ও নেতিবাচক চর্চা বাড়িয়ে প্রতিপক্ষকে দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরোক্ষভাবে দোষ চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও বেড়েছে, যা সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
শিবিরের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু নেতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই সংগঠনকে এখন এর ফল ভোগ করতে হচ্ছে। তার ভাষ্য, একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ সংগঠন হিসেবে পরিচিত হওয়ার পরও তারা দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব সামনে আনতে ব্যর্থ হচ্ছে।
আব্দুল কাদেরের মতে, অযোগ্য ও অদক্ষ কিছু ব্যক্তিকে নেতৃত্বে আনার কারণে শুধু সংগঠনই নয়, সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিও ক্ষতির মুখে পড়ছে।