বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রগঠনের প্রতিটি পর্যায়ে সেনাবাহিনীর অবদান গৌরবময়। তাঁর ভাষায়, পিলখানার মর্মান্তিক অধ্যায় ছিল সেই শক্ত অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি পরিকল্পিত প্রয়াস।
ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় যে দুর্বলতা ছিল, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলেও জানান তিনি।
শহীদ পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা জাতীয় দায়িত্ব। এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক কাঠামোয় রূপ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা আরও শক্তিশালী করা হবে।
এসময় তিনি পিলখানায় নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন এবং শোকাহত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।