তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে নানা মত থাকতে পারে, কিন্তু উন্নয়ন টিকিয়ে রাখতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই। বিশ্বজুড়ে অনেক বন্দর এখন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে গেছে— আমরাও উন্নয়নের এই ধারা থেকে পিছিয়ে থাকতে চাই না।”
উপদেষ্টা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ধারণক্ষমতা ৫৬ হাজার টিইইউএস থেকে বাড়িয়ে ৬৬ হাজারে উন্নীত হচ্ছে, যা বন্দর কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে। তার ভাষায়, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসায়ীরা যেন সহজে কাজের সুযোগ পান এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়।”
লালদিয়ার চর টার্মিনালটি ১৪ একর জমিতে নির্মিত হয়েছে, যেখানে ১০ হাজার কনটেইনার ও প্রায় ১ হাজার ৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ৮ একর জায়গায় হেভি লিফট কার্গো জেটি ও ১০ একর এলাকায় এপিএম টার্মিনালের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
এম সাখাওয়াত হোসেন সেদিন বে-টার্মিনাল এলাকার পরিবহন টার্মিনাল, তালতলা কনটেইনার ইয়ার্ড এবং কাস্টমস অকশন শেড পরিদর্শন করেন।
ট্যারিফ সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “১৯৮৪ সালের হার এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। ব্যবসায়ীরা হাজার টাকা আয় করলে বন্দরের অংশ হয় মাত্র পাঁচশো— এটি সময়োপযোগী করা জরুরি। আমরা চাই, সবাই লাভবান হোক, তবে দেশের স্বার্থই আগে।”