বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সফরের প্রথম দিন সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন ইসহাক দার। পরে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পরিসর ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে কূটনীতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসামুক্ত ভ্রমণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিষয়ে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা, ফরেন সার্ভিস একাডেমি ও কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি পুরনো চুক্তিও নবায়ন করা হবে।
এ সফরে আলোচনায় আসতে পারে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যার ইস্যু, স্বাধীনতা-পূর্ব অভিন্ন সম্পদ বণ্টন এবং বাংলাদেশে আটকে থাকা পাকিস্তানিদের ফেরত নেওয়ার মতো বিষয়গুলো। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাতের কর্মসূচি রয়েছে দারের।
২০১২ সালে হিনা রব্বানি খার ছিলেন সর্বশেষ পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি ডি-৮ সম্মেলনের আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকা সফর করেছিলেন।
গত বছরের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার পতন ও ভারতের উদ্দেশে তার দেশত্যাগের পর থেকে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে একাধিক অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই পাকিস্তানি পণ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে এবং সমুদ্রপথে সরাসরি বাণিজ্যও শুরু হয়েছে।