সভা শুরুর আগেই সেখানে বিক্ষোভে জড়ো হন কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি। অন্যদিকে এনসিপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরাও উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশ তিনজনকে আটক করে। স্থানীয় সূত্র বলছে, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের সমর্থক।
নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান হাসনাত আবদুল্লাহ। বক্তব্য শেষে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি এলাকা ত্যাগ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক তিনজনের মধ্যে লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফসার খান সাদেক রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে হাতকড়া পরা অবস্থায় পুলিশ ভ্যানে তুলতে দেখা গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য দেয়নি।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পার্ক এলাকায় হাঁটার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীদের অনুসরণ করে কয়েকজন বিভিন্ন মন্তব্য করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের একটি রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের দিকে ডিম ছোড়া হয়।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়ে ডিম লাগে। পরে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীমের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার পর এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এক বিবৃতিতে অভিযোগ করে, এলেম পার্ক এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এহতেশামুল হকের সফরকে ঘিরে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা ও উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের নামে উত্তেজনা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়।