রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর যেকোনো একটি রাতই লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অনেক আলেমের মতে ২৭ রমজান (২৬ রোজার রাত) অধিক সম্ভাবনাময়, তাই শেষ দশকে বিশেষভাবে ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া উত্তম।
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের প্রত্যাশায় এই রাতে ইবাদতে জাগ্রত থাকবে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
এই রাতে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা উল্লেখ আছে:
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন—আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আরেক দোয়ায় রাসুলুল্লাহ (সা.) কৃপণতা, অলসতা, বার্ধক্যের অসহায় অবস্থা, কবরের আজাব এবং জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাইতেন।
শবে কদরের নামাজ নিয়ে অনেকের মধ্যে ভিন্ন ধারণা রয়েছে। কেউ নির্দিষ্ট সূরা বা নির্দিষ্ট সংখ্যায় তিলাওয়াতের কথা বলেন। তবে নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতে, এ রাতে নামাজের আলাদা কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। অন্যান্য নফল নামাজ যেভাবে আদায় করা হয়, এ রাতেও সেভাবেই পড়তে হয়।
তবে এই রাতের ইবাদতে সময় বাড়ানো উত্তম। ধীরস্থির তিলাওয়াত, দীর্ঘ রুকু ও সেজদার মাধ্যমে গভীর মনোযোগে নামাজ আদায় করা বেশি ফজিলতপূর্ণ। যে কোনো সূরা দিয়ে দুই রাকাত করে নফল নামাজ পড়লেই লাইলাতুল কদরের ইবাদত আদায় হবে।