শনিবার চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাতে জানা যায়, বেইজিংয়ের দাবি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন ও বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতির পরিপন্থী। এতে ইরানের তেল রপ্তানি আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করার মার্কিন প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যে পাঁচটি শোধনাগারকে লক্ষ্য করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে হেংলি পেট্রোকেমিক্যালসহ শানডং অঞ্চলের কয়েকটি বড় বেসরকারি রিফাইনারি, যেগুলো ‘টি-পট’ নামে পরিচিত। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ক্রয় করেছে।
গত বছর ও চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটির ওপর আলাদা আলাদাভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। বিশেষ করে হেংলি পেট্রোকেমিক্যালের বিরুদ্ধে বিলিয়ন ডলারের ইরানি তেল কেনার অভিযোগ আনা হয়।
চীন বলছে, কোনো সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। এ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ডলারনির্ভর নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং ইরানি তেলের বৈশ্বিক বাণিজ্যে চীনের ভূমিকা আরও দৃঢ় করছে। এতে দুই পরাশক্তির মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই