শনিবার (২৮ মার্চ) The Guardian-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। Greek Coast Guard জানায়, ক্রেটা দ্বীপের নিকটবর্তী এলাকা থেকে ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থার একটি জাহাজ ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে জীবিতদের উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একজন নারী ও একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক রয়েছে। পরে নিশ্চিত করা হয়, জীবিতদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন দক্ষিণ সুদানের এবং একজন চাদের নাগরিক।
বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, মৃতদের মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা পাচারকারীদের নির্দেশেই করা হয়। এদিকে গুরুতর অসুস্থ দুই যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তদন্তে জানা যায়, নৌকাটি ২১ মার্চ লিবিয়ার তোবরুক বন্দর থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে দিক হারিয়ে ফেলে তারা, এবং ছয় দিন ধরে খাদ্য-পানি ছাড়াই সমুদ্রে ভেসে থাকতে থাকে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজন দক্ষিণ সুদানের নাগরিককে আটক করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অবৈধ প্রবেশে সহায়তা এবং অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে তদন্ত চলছে।
কোস্টগার্ড আরও জানায়, নৌকাটি ক্রেটার দক্ষিণে লেরাপেট্রা থেকে প্রায় ৫৩ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
International Organization for Migration-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ভূমধ্যসাগরে ৫৫৯ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২৮৭। একই সময়ে Frontex জানিয়েছে, ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টায় মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।