ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় রাজধানী তেহরান ছাড়াও তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন এলাকায় উৎকণ্ঠা তৈরি হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের নির্দিষ্ট সামরিক অবকাঠামো। তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা বিস্তারিত লক্ষ্যবস্তুর তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। পরে এ বিষয়ে আরও তথ্য দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই হামলার আগে কূটনৈতিকভাবে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে তাৎক্ষণিক প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়।
তবে সেই আহ্বান উপেক্ষা করেই ইসরায়েল অভিযান চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়।
এ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন ইরান নতুন করে কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নেয় কি না, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।