বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধি ও কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করার মাধ্যমে দুই দেশের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চীন সবসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করে। মিয়ানমারের জনগণ যে পথ বেছে নেবে, বেইজিং সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবে এবং দেশটির বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেবে।
সীমান্তপারের অপরাধ দমনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ওয়াং ই। তিনি বলেন, অনলাইন জুয়া, টেলিযোগাযোগভিত্তিক প্রতারণা এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় মিয়ানমারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায় চীন।
জবাবে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিন মং সোয়ে বলেন, তার দেশ দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীন’ নীতি অনুসরণ করে এবং চীনের প্রস্তাবিত বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানায়। একই সঙ্গে মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়ন, উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এছাড়া জাতিসংঘ, আসিয়ান ও লানছাং-মেখং সহযোগিতা কাঠামোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে চীনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রত্যাশার কথাও জানান মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তথ্য: সিসিটিভি