সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প অবরোধ আর যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের মাধ্যমে আলোচনাকে কার্যত আত্মসমর্পণের পর্যায়ে নামিয়ে আনতে চাইছেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, এসব পদক্ষেপ নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।
গালিবাফ জোর দিয়ে বলেন, হুমকির মুখে কোনো ধরনের সংলাপ ইরান গ্রহণ করবে না।
সম্প্রতি ইরানি পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ জব্দের পর হরমুজ প্রণালী এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত থাকায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতাও থেমে নেই। মার্কিন সূত্রের বরাতে CNN জানিয়েছে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা বৃহস্পতিবার হতে পারে। একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে পরবর্তী সংলাপে অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন।
খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক ইসলামাবাদে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দুই পক্ষের কড়া অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি, যদিও শিগগিরই প্রতিনিধি দল যাত্রা করতে পারে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বুধবার সন্ধ্যায় শেষ হওয়ার কথা। এর আগেই আলোচনা শুরু হলেও সমঝোতা না হলে সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন তিনি।