তিনি বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংকটে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যেন সাময়িক যুদ্ধবিরতি মেনে চলে এবং বিরোধ সমাধানে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথকে অগ্রাধিকার দেয়। চীনের প্রত্যাশা, কোনো পক্ষই নতুন করে সংঘাত উসকে দেবে না এবং সবাই শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোবে।
এ সংকট নিরসনে চীন ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হওয়া প্রাথমিক আলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ উত্তেজনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
অন্যদিকে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। একটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার দ্বারপ্রান্তে ছিল দুই দেশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়েছিল এবং চুক্তির সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত হয়ে উঠেছিল। তবে শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন জটিলতায় আলোচনা থমকে যায়।
আরাগচির অভিযোগ, আলোচনার সময় অতিরিক্ত দাবি, শর্ত পরিবর্তন এবং অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে। তার মতে, অতীত থেকে শিক্ষা না নেওয়ার ফলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সদিচ্ছা পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলে, আর বিরূপ মনোভাব শুধু সংঘাতই বাড়ায়।