ডন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সোমবার সকালেও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির সীমা অতিক্রম করেছে। তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজন হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না ইরান।
সম্প্রতি দক্ষিণাঞ্চলের একটি বন্দরে মার্কিন হামলার পর দুই দেশের মধ্যে সাময়িক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
একই সময়ে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ এবং এ নীতিতে কোনো পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সোমবার ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে থাকা কয়েকটি রাডার ও ড্রোন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তারা দাবি করে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন এমকিউ-১ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অন্যদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) পাল্টা হামলার দাবি করেছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপে যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন হামলার পর সেই অভিযানে ব্যবহৃত বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের অভিযানে নির্ধারিত কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে হামলার স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।