এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগও তুঙ্গে পৌঁছেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে চালানো ইসরায়েলি অভিযানে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন ছিলেন একটি শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা। এছাড়া ধ্বংস হয়েছে হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক ভবনসহ অসংখ্য বেসামরিক স্থাপনা।
বন্দিমুক্তি চুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এক হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি মধ্যস্থতা করছে যেন গাজার জিম্মিদের মুক্ত করা যায়। নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠক সেই প্রচেষ্টারই একটি অংশ।”
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা জানান, বৈঠকে নেতানিয়াহু গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কৌশল এবং হিজবুল্লাহ ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আরও সক্রিয় সহযোগিতা চাইবেন।
হোয়াইট হাউস সূত্র বলছে, এ বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনের কেউ উপস্থিত থাকবেন না। ট্রাম্প নিজ উদ্যোগে নেতানিয়াহুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এতে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, রিপাবলিকান দলের আগামী নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই কি ট্রাম্প এ উদ্যোগ নিচ্ছেন?
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই গাজায় সংঘর্ষ ও হামলার মাত্রা বাড়ছে। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় চলমান যুদ্ধকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে