বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলকে লক্ষ্য করা হয়। রিশন লেৎসিয়ন, পেতাহ টিকভা, বেয়ার শেভা এবং তেল আবিবসহ একাধিক শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। মোট ৩০টির বেশি স্থানে আঘাত হানার দাবি করা হয়।
এই অভিযানে ‘খেইবার শেকান’ নামের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানায় বাহিনীটি, যা তাদের ভাষায় নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
পাল্টা বার্তায় তারা জানায়, ভবিষ্যতে ইসরায়েলের শিল্প এলাকা, অবকাঠামো এবং সামরিক স্থাপনাগুলো আরও ব্যাপকভাবে লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। একই সঙ্গে ওইসব এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বাহিনীর মহাকাশ শাখার এক শীর্ষ কমান্ডার দ্বৈত উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার ব্যবহার নিশ্চিত করে বলেন, এটি তাদের সামরিক কৌশলে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। তার দাবি, নতুন ব্যবস্থার কারণে হামলার শক্তি আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি বলেন, নতুন লঞ্চার ব্যবহারের ফলে আক্রমণ সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ এর ৯৯তম ধাপের কথা উল্লেখ করে বাহিনীটি জানায়, তারা কখনোই বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় না এবং ভবিষ্যতেও করবে না।
তাদের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ পদক্ষেপে সংঘাতের সূচনা হয়। এতে ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এর জবাবে এই অভিযান শুরু হয়, যা পরে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলোর দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিস্তৃত হয়েছে।