শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের এখন এই অবস্থা হয়েছে যে গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতে হলেও চাঁদা দিয়ে খাওয়াতে হয়। চাঁদা না দিলে খামারের মাছের খাবারে বিষ মেশানো হয়।’
নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার এলাকায় চাঁদাবাজি হলে আমি কাউকে চিনি না। আমি তার বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াব। ডান পাশে বালুচোর আর বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’
আত্মীয়স্বজনকে বিশেষ সুবিধা না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, তাঁর কোনো আত্মীয়কে সারের ডিলারশিপ বা সড়কের কাজের ঠিকাদারি দেওয়া হবে না। ব্যবসা করতে কাউকে চাঁদা দিতে হবে, এমন পরিস্থিতিও তিনি চান না।
নিজের কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে পরিচয় গোপন রেখে লিখিতভাবে জানানোর আহ্বান জানান রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, কোনো কর্মী তাঁর ভোটারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের পর তাঁরা এমন একটি সরকার প্রত্যাশা করেছিলেন, যারা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধান করবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
দ্রব্যমূল্যের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, সবজির দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকার নিচে নেই। ঢাকায় একটি ডিমের দাম ১৫ টাকা। এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।