জাতীয় রাজনীতিতে আলোচিত নাম গোলাম দস্তগীর গাজী। এবার তিনি মুখোমুখি হলেন বড় ধরনের আইনি পদক্ষেপের। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, প্রতারণা, হুন্ডি, জমি দখলসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে অনুসন্ধান চালিয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করেছে।
বুধবার (১৬ জুলাই) সিআইডির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংস্থার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে আদালত গত ৮ জুলাই এই ক্রোকাদেশ দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গাজী অবৈধ উপায়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। জালিয়াতি, কমিশন বাণিজ্য, জোর করে জমি দখল এবং আন্ডার ইনভয়েস ও ওভার ইনভয়েসের মতো অপরাধের মাধ্যমে তিনি এই সম্পদ অর্জন করেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সিআইডি জানায়, প্রায় ৪ হাজার ৮৮০ শতাংশ জমি ও তার ওপর নির্মিত গাজী টায়ার কারখানাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো আদালতের নির্দেশে ক্রোক করা হয়েছে। জমির দলিল মূল্য প্রায় ১৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা হলেও প্রকৃত বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এসব সম্পত্তি মূলত ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে অর্জিত হয়েছে। এই সময়েই গাজী ও তাঁর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের টাকা দেশে-বিদেশে স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অনুসন্ধান চলছে, পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়েও তদন্ত চলছে।