প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকরা গড়ে ২৯৬ রানের শক্তিশালী সংগ্রহ। ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান জুটি গড়েন ১৭৬ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী পার্টনারশিপ, যা ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। সৌম্য ৮৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রানের ইনিংস খেলেন, আর সাইফ মাত্র ৭২ বলে ৮০ রানে ঝলমলে ব্যাটিং করেন ৬ চার ও ৬ ছক্কায় সাজিয়ে।
ওপেনিং জুটি ভাঙার পর কিছুটা ধীরগতির ইনিংসে শান্ত (৪৪) ও তাওহীদ হৃদয় (২৮) স্কোরবোর্ড এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরের ব্যাটাররা বড় ইনিংস গড়তে না পারায় বড় স্কোরের সম্ভাবনা কিছুটা সীমিত হয়। শেষ দিকে মেহেদী হাসান মিরাজ (১৭) ও নুরুল হাসান সোহান (১৬*) ইনিংসের গতি ফেরান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ করে ৮ উইকেটে ২৯৬ রান। ক্যারিবীয়দের হয়ে আকিল হোসেন নেন ৪ উইকেট ৪১ রানে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই স্পিনের জাদুতে তছনছ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ। নাসুম আহমেদের ঘূর্ণি ও রিশাদ হোসেনের লেগস্পিনে একের পর এক উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৫ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় সফরকারীরা। অধিনায়ক শাই হোপ তানভির ইসলাম-এর বলে কাটা পড়লে বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হয়।
পরবর্তীতে রিশাদের স্পিনে দিশেহারা ক্যারিবিয়ানরা ২৯তম ওভারেই ১১৭ রানে গুটিয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রান আসে দশ নম্বরে নামা আকিল হোসেনের ব্যাট থেকে। জাস্টিন গ্রেভস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন সমান ৩টি করে উইকেট নেন, মিরাজ ও তানভির পান ২টি করে উইকেট।
এই জয়ের মাধ্যমে দেড় বছর পর ওয়ানডেতে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ দল।
এখন দুই দল মুখোমুখি হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে, যা শুরু হবে আগামী সোমবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামে।