পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন— স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় সামগ্রিক অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর)। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম মনোনীত হয়েছেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) নির্বাচিত হয়েছেন।
সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত এবং শিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর) পুরস্কার পাচ্ছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য জোবেরা রহমান (লিনু) নির্বাচিত হয়েছেন। সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক এবং মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ খাতে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া নির্বাচিত হয়েছেন। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) পুরস্কার পাচ্ছেন।
এ ছাড়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানও এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা সেবায় অবদানের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এ সম্মাননা পাচ্ছে।
দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত স্বাধীনতা পুরস্কার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর প্রদান করা হয়ে থাকে।