শনিবার সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি বলেন, বর্তমানে বিচার ব্যবস্থার ওপর রাজনৈতিক চাপ নেই। স্বাধীনভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হোক, সেটিই সরকারের প্রত্যাশা।
তিনি জানান, বিচারকের স্বল্পতার কারণে প্রচলিত ব্যবস্থায় সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলাগুলোর বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
মিডিয়া ট্রায়ালের পরিবর্তে আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি সবার আস্থা রাখা প্রয়োজন।
এ সময় তিনি আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ডে জড়িত কিছু আইনজীবীর বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে আসা অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করেই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো ভুয়া বা প্রতিহিংসামূলক অভিযোগ যেন স্থান না পায়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন সতর্ক রয়েছে।
এদিকে সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে মৃত্যুদণ্ড সংশ্লিষ্ট মামলার জট কমাতে বিশেষ বিচারক নিয়োগের পরামর্শ দেন।