ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোই নিয়ম। ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের মব তৈরি করার এখতিয়ার নেই। এ ধরনের নোংরা রাজনীতিকে জামায়াত কখনো সমর্থন করে না।
তিনি আরও বলেন, সমাজ এখন আগের মতো অচেতন নয়। ভয় দেখিয়ে বা দলবেঁধে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার সময় শেষ। মানুষ নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে জানে।
জামায়াত আমিরের ভাষায়, রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে জনগণের কাছে যেতে হবে। নিজের কথা পরিষ্কারভাবে বলতে হবে, দলের অঙ্গীকার তুলে ধরতে হবে এবং চরিত্র ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিচার করে কাকে সমর্থন করবে, সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র জনগণের।
তিনি বলেন, জামায়াতের লক্ষ্য সুস্পষ্ট—দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়া, যেখানে ফ্যাসিবাদের আর কোনো জায়গা থাকবে না। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই আসন্ন দুই নির্বাচনে দলটি অংশ নেবে।
সবশেষে ৩০০ আসনের সব প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ওপর আস্থা রাখুন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করুন, যেন মানুষ নির্বিঘ্নে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে পারে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য সেখানেই।