রোববার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। জামায়াতের আমির বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার নোটিশ দিতে বলেছেন, ফলে প্রক্রিয়াটি সামনে এগোনোর সুযোগ রয়েছে।
আদালতে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছেন, তবে এ নিয়ে স্পষ্ট তথ্য তার কাছে নেই। তার মতে, এটি কার্য উপদেষ্টা কমিটির বিষয় নয়; বরং সংসদেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। প্রয়োজনে অন্য আলোচনাও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
একই আদেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংবিধানের বাইরে গেলে এক পক্ষকে মানা আর অন্য পক্ষকে না মানা যুক্তিসংগত নয়—মানলে উভয় ক্ষেত্রেই মানতে হবে, না মানলে দুটোই প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
তিনি আরও জানান, অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উত্থাপনের চেষ্টা করা হয়। পরে স্পিকার সময় দিলে গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা আদেশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয় এবং চলমান অধিবেশনেই সমাধানের দাবি জানানো হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা শপথ নিয়েছেন তাদের সাংবিধানিক অবস্থান কী হবে, আর যারা নেননি তারা কবে শপথ নেবেন এগুলোও স্পষ্ট হওয়া দরকার। পাশাপাশি সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে হবে, গণভোটের ফল কতটা কার্যকর হবে—এসব প্রশ্নেরও সুরাহা চান তিনি। তার দাবি, বিপুল জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন, তাই সে রায়ের চূড়ান্ত অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি।