উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুল ইসলাম, ফরিদ আল সোহান এবং রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়ক। এই সড়কের উভয় পাশে গাউছিয়া কাপড়ের মার্কেটসহ বড়-বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং শিল্প এলাকার কারণে এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন।
কিন্তু ফুটপাত ব্যবসায়ীরা মহাসড়ক উভয় পাশে অবৈধ দোকানপাট বসিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছেন, যার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা যানবাহনগুলো সমস্যায় পড়ছে। নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও কিছু সময় পর পুনরায় দখল গড়ে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, “ব্যস্ত এই মহাসড়কটি ফুটপাত ব্যবসায়ীদের কারণে যাত্রী, পথচারী এবং স্থানীয়দের নিত্যদিনের ভোগান্তির মুখে পড়ছে। আর এটি কোনোভাবে বরদাস্ত করা হবে না।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযান শুরু হয়। মহাসড়কের উভয় পাশে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট বোলডোজার ও এক্সকাভেটরের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। উচ্ছেদের পর সড়কটি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত হয়, যা সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের জন্য স্বস্তির কারণ হয়েছে। পুনরায় কেউ মহাসড়ক দখল করে দোকান বসালে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাইও ভুলতা-গোলাকান্দাইল এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় সড়ক দখল হয়ে যায়।