এসএসসি ২০১৫ ব্যাচের কয়েকজন বন্ধু ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মিছিল ও মানববন্ধন করেন। স্লোগানে ছিল রসিকতা আর অভিমানের মিশ্রণ— “টাকা লাগলে দিতাম, তবু আমাদের ডাকতি”, “শাকিলের বাসর ঘর ভেঙে দাও”— এমন নানা উচ্চারণে পুরো এলাকা কিছু সময়ের জন্য মুখর হয়ে ওঠে।
বন্ধুদের দাবি, তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু শাকিলের বিয়ের কথা আগেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের না জানিয়েই তিনি বিয়ে সম্পন্ন করেন। এই আড়াল হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই তারা এমন ‘প্রতীকী প্রতিবাদ’-এর আয়োজন করেন।
তবে পুরো কর্মসূচির পরিবেশ ছিল হালকা মেজাজের। স্লোগান থাকলেও কারও মুখেই রাগের ছাপ ছিল না, বরং হাসি-ঠাট্টাতেই সময় কাটে তাদের। রাস্তার পাশে এমন দৃশ্য দেখে পথচারী ও যাত্রীরা থমকে দাঁড়ান, অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা ও মজার প্রতিক্রিয়া। অনেকেই এটিকে বন্ধুত্বের অনন্য প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।
প্রতিবাদের শেষে বন্ধুরা শাকিলের নতুন দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা ও দোয়া করেন। পরে তারা সবাই মিলে একসঙ্গে নৈশভোজেও অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়নাল শেখ, মিশকাত, আলামিন, আশিক, সোহেল, মামুনসহ আরও অনেকে।
আয়নাল শেখ জানান, শাকিল তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল তার বিয়েতে সবাই মিলে আনন্দ করার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে খবর না জানায় তারা কিছুটা অভিমান থেকেই এই আয়োজন করেন, যা শেষ পর্যন্ত আনন্দেই রূপ নেয়।
এ বিষয়ে শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।