তিনি জানান, এই দাবির প্রশ্নে জামায়াত কোনো অবস্থাতেই পিছপা হবে না এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আরও কঠোর অবস্থান তুলে ধরে বলেন, এটি শুধু উন্নয়ন নয়, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। তাই এর বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ব্যত্যয় বা বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয়।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে তিনি ঢাকা থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের জামায়াতের নির্বাচিত এমপি ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
এরপর তিনি সড়কপথে রংপুর সার্কিট হাউসে যান। সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর মডেল কলেজে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা পর্যায়ের আমির ও সেক্রেটারিদের সমাবেশে অংশ নেন। সেখানে তিনি সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।
দুপুরে সার্কিট হাউসে বিশ্রামের পর জুমার নামাজ আদায় করেন তিনি। বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে মতামত শোনেন।
দিনশেষে তিনি আবার সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যান এবং সন্ধ্যায় বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।