রুবিও বলেন, “ইরান সমস্যার একটি শান্তিপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই সরাসরি সংলাপে বসতে রাজি।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে, এর আগে ইউরোপীয় দেশগুলো—ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য—ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “এই 'স্ন্যাপব্যাক' (নিষেধাজ্ঞা) প্রক্রিয়া আমাদের কূটনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল নয়, বরং আরও শক্তিশালী করে।” তিনি তেহরানের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে অবিলম্বে সরে আসে এবং আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথে হেঁটে জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স যৌথভাবে 'স্ন্যাপব্যাক' প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। ওই তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানিয়েছিলেন, তারা এ বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করেছেন।