স্থানীয় সময় বুধবার (১৩ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, আলোচনার গতি নিয়ে তিনি আশাবাদী। তার ভাষায়, “আমরা অগ্রসর হচ্ছি। এখন মূল বিষয় হলো, এই অগ্রগতি কি প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত সীমার মধ্যে পড়ে কি না।”
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার—ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, এবং সে লক্ষ্যেই সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এদিকে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠোর কিছু শর্ত দিয়েছে ইরান। এসব শর্ত পূরণ না হলে নতুন করে আলোচনায় না বসার অবস্থানে রয়েছে তেহরান।
সূত্র অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনা শুরুর ক্ষেত্রে এই শর্তগুলোকে “ন্যূনতম নিশ্চয়তা” হিসেবে দেখছে ইরান।
ইরানের উত্থাপিত শর্তগুলো হলো—
১. সব ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ, বিশেষ করে লেবাননসহ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে
২. ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
৩. জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবিলম্বে মুক্ত করা
৪. যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদান
৫. হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া