চ্যানেল ১২-এর খবরে বলা হয়, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে স্বাক্ষর হতে যাওয়া সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এখনও ইসরায়েলের কাছে স্পষ্ট নয়। এ কারণে চুক্তির বিভিন্ন ধারা নিয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
তবে এ দাবি নিয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো অনুরোধই জানায়নি। একইসঙ্গে এক মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, পুরো আলোচনা প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রেখেছে। ফলে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে— এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে বলা হচ্ছে, সম্ভাব্য চুক্তিতে ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে এসব তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সমঝোতাটি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন কিংবা তেহরান—কোনো পক্ষই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেনি।