ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেন্টেশন’ প্রযুক্তির প্রথম ফ্লাইট ট্রায়াল সফল হয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ ব্যবস্থা সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে পরিণত করতে সক্ষম।
প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে অগ্নি-৬ ঘোষণা না হলেও এটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পর্যায়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, এর পাল্লা ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি হতে পারে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার কাছেই ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত এ সক্ষমতা পুরোপুরি অর্জন করতে পারলে বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলই তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে বলে বিশ্লেষকদের মত।
সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাত জানান, সরকারি অনুমোদন মিললেই অগ্নি-৬ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে প্রস্তুত তারা। প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অগ্নি-৬ নিয়ে একটি প্রচার ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়, বহুমুখী ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশকে বিশ্বশক্তির কাতারে এগিয়ে নেবে।
তথ্যসূত্র: The Times of India