শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ জানায়, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। সংস্থাটি পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।
ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়েও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। বরং অনেক পরিবার এখনও হামলার শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গাজার শিশুরা ঘর, স্কুল কিংবা খেলার স্থান—কোথাও নিরাপদ নয়। অনেক শিশু দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেও সহিংসতার শিকার হচ্ছে।
প্রাণহানির পাশাপাশি শত শত শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। অনেকের চিকিৎসা জরুরি হলেও স্বাস্থ্যসেবার সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইউনিসেফ আরও জানায়, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি আহত শিশুদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে সংক্রমণ ও দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে যুদ্ধবিরতির প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।