মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেন, চুক্তি নিয়ে তার কিছু আপত্তি থাকলেও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় তিনি এতে সম্মতি দিয়েছেন। তার দাবি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের আশ্বাসের পরই তিনি অনুমোদন দেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, আলোচনায় অংশ নেওয়ার অর্থ শত্রুপক্ষের অবস্থান মেনে নেওয়া নয়।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, এই সমঝোতার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতেও উত্তেজনা কমবে। তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শুরু হয়েছে। তিনি জানান, পরবর্তী কারিগরি আলোচনা চালাতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা শিগগিরই বৈঠকে বসবেন।
চুক্তির অন্যতম শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু রাখা, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নির্দিষ্ট অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ সমঝোতার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।