প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আমিরাতের লক্ষ্য ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার। হামলাটি ঘটে এপ্রিলের শুরুতে। ঠিক সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে হামলাটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।
হামলার পর ইরান অভিযোগ করে, অজ্ঞাত শক্তি তাদের স্থাপনায় আঘাত করেছে। এর জবাবে কুয়েত ও আমিরাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের দাবি, তেল শোধনাগারে হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা পরে ইরানকে দীর্ঘ সময় ধরে পুনর্গঠন করতে হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রশাসনের একাংশ এই ঘটনাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছিল। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য আরব দেশগুলো তখন এ ধরনের কোনো অভিযানে যুক্ত হতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
সূত্র: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল