তিনি বলেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে এটি নবায়ন করতে হবে। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত অবশ্যই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিতে হবে।
ফখরুল আরও বলেন, ফারাক্কা ইস্যুর সমাধান হতে হবে জনগণের মতামত, ন্যায্যতা এবং দেশের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আলোচনা সভায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার অভিযোগ, একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তবে জনগণ গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে এসব চেষ্টা সফল হবে না।
একই অনুষ্ঠানে পানি সংকট, পরিবেশগত অবনতি এবং সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন হলেও কোনোভাবেই নির্ভরশীলতা বা দাসত্বের মানসিকতা গ্রহণযোগ্য নয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রুহুল কবির রিজভী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু