শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে চালানো ওই হামলায় একটি আবাসিক ভবন ও পরে কাছের একটি গাড়ি লক্ষ্য করা হয়। গাজার জরুরি পরিষেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এতে অন্তত সাতজন নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে, এবং আহত হন ৫০ জনের বেশি।
গাজার আল-শিফা হাসপাতাল জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে প্রায় ৩০ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন ফিল্ড হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট।
ইসরাইলের দাবি, আল-হাদাদ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং পরবর্তীতে জিম্মি ব্যবস্থাপনাতেও যুক্ত ছিলেন। হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেডের এই নেতা গোষ্ঠীর অন্যতম শীর্ষ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, বিশেষ করে ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও মোহাম্মদ দেইফ নিহত হওয়ার পর।
হামাস এখনো তার মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে স্থানীয় কিছু সূত্র এবং মসজিদ থেকে তার মৃত্যুর খবর প্রচার করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় মাঝেমধ্যে হামলা চলছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে এসব ঘটনায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত অস্থির অবস্থায় রয়েছে।