শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জাতীয় স্বার্থ, জনগণের প্রত্যাশা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি জানান, ভাষণে গণতন্ত্রের পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার পাশাপাশি মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় তুলে ধরা হয়েছে। দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—‘থ্রি আর’ কৌশলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিনন্দনবার্তায় তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহব্যবস্থায় তৈরি সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবও ভাষণে উঠে এসেছে।
জাতিসংঘকে সমঝোতাভিত্তিক বিশ্বসমাজ গঠনের কেন্দ্র হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান গুরুত্বপূর্ণ।
‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রত্যয়ের মাধ্যমে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়াকে গৌরবের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি তার সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।