বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে অযথা বিশৃঙ্খলা করা বা সরকারি দলের সব সিদ্ধান্তে আগেভাগেই সম্মতি দেওয়া, কোনোটিই তাদের নীতি নয়। সরকার ভালো কাজ করলে সমর্থন দেওয়া হবে, আর ভুল করলে প্রতিবাদ এবং প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বিএনপি জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নেও তাদের অনীহা রয়েছে। গণরায় উপেক্ষা করে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিভিন্ন বিল স্থায়ী কমিটিতে আলোচনার সময় তারা ধারা ধরে সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু এক-দুটি সামান্য বিষয় ছাড়া তাদের কোনো প্রস্তাবই গ্রহণ করা হয়নি। এরপর একের পর এক আইন পাস করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একদিকে গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হচ্ছে, অন্যদিকে সংস্কারের উদ্যোগ থেকেও সরে যাওয়া হচ্ছে। অথচ বিএনপির এক দফা দাবির প্রথম দফাতেই সাংবিধানিক সংস্কারের কথা ছিল।
লংমার্চ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, কাউকে ক্ষমতা থেকে সরাতে নয়, জনগণের বিভিন্ন দাবি নিয়ে তারা রাস্তায় নেমেছেন। প্রতীকী বহর নিয়ে কর্মসূচিতে গেলেও সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে।
সম্পত্তি বণ্টন আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনটি কোরআনের বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি কার্যকর হলে ঘরে ঘরে বিরোধ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।