সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পুলিশ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত তার প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন। একই সঙ্গে চাঁদাবাজ ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি কঠোর সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করেন।
আইজিপি জানান, ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই তাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলবে। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। উগ্রপন্থার বিস্তার ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক নজরদারিতে থাকবে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মহাসড়ক, বিপণিবিতান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।
পুলিশ বাহিনীর সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরে আইজিপি বলেন, সিআইডিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ইউনিটে রূপান্তর, থানাগুলোকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ সেবাকেন্দ্রে উন্নীত করা এবং তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপে থানায় ম্যাজিস্ট্রেসি ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি সতর্ক করেন, ব্যক্তিস্বার্থে কাজ করে কেউ যেন বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না করে। অতিরিক্ত উৎসাহ দেখানো থেকেও পুলিশ সদস্যদের বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নাগরিকদের আইন মেনে চলার অনুরোধ করেন।
গত জুলাইয়ে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের দায়ের করা মামলার বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।