স্থানীয় সময় শনিবার (১০ অক্টোবর) সুদান-মিশর সীমান্তবর্তী এলাকায় এ হামলা হয়। রোববার বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। তবে হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী ত্রিভুজীয় এলাকায় বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন ক্ষুদ্র খনি শ্রমিক হতাহত হয়েছেন। সংগঠনটি এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
সুদান ফাউন্ডিং অ্যালায়েন্সের (টিএএসআইএস) অভিযোগ, হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। জোটটি ঘটনাকে সুদানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
সুদান ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় শ্রমিকরা জানান, আল-উকায়দাত স্বর্ণখনিতে অন্তত পাঁচটি হামলা চালানো হয়। আহত অন্তত ২০ জনকে চিকিৎসার জন্য আল-আনসারি বাণিজ্যবাজারে নেওয়া হয়েছে। হামলার পর শত শত শ্রমিক পানি ও রসদ ছাড়াই পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন।
তবে হতাহতের সংখ্যা ও হামলায় ব্যবহৃত বিমানের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি সুদান ট্রিবিউন। এ বিষয়ে সুদান ও মিশরের সামরিক কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সুদান-মিশর সীমান্তে খননকাজ ও সীমান্ত অতিক্রম নিয়ে আগে থেকেই উত্তেজনা রয়েছে। গত জুনে মিশরের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ, সোনা অনুসন্ধান ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ২০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সুদানের ক্ষুদ্র স্বর্ণখনি খাতে ২০ লাখের বেশি মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। দেশটির মোট স্বর্ণ উৎপাদনের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ খাত থেকে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া সংঘাতের মধ্যে বিকল্প জীবিকার সন্ধানে এ খাতে মানুষের সম্পৃক্ততা বেড়েছে।