স্যাভেজ তার ‘স্যাভেজ নেশন’ পডকাস্টে দাবি করেন, ভারত ও চীন থেকে আসা বহু মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসেন মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে, যাতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা যায়। তিনি আরও বলেন, এসব অভিবাসী দেশের অর্থনীতি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর—এমনকি তাদের ‘ল্যাপটপধারী গ্যাংস্টার’ বলেও আখ্যা দেন। একই সঙ্গে ভারত ও চীনকে ‘জাহান্নাম’ হিসেবে উল্লেখ করার মতো মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য স্পষ্টতই বর্ণবাদী মনোভাব ও অভিবাসীবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়।
এদিকে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিয়ম নেই। তবে বাস্তবে কানাডা, মেক্সিকোসহ প্রায় তিন ডজন দেশে এ ধরনের বিধান রয়েছে।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে পদক্ষেপও নিয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা করা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ও পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করছে। বিশেষ করে দক্ষ অভিবাসীদের ‘অপরাধী’ বা ‘গ্যাংস্টার’ হিসেবে উপস্থাপন করাকে তারা অভিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর ও বিভাজন সৃষ্টিকারী বলেই দেখছেন।