ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সরাসরি কোনো আলোচনা করবে না। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা আমাদের জন্য কোনো উপকার বয়ে আনবে না, বরং তা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে।”
খামেনি যুক্তি দিয়ে বলেন, আমেরিকা সবসময় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, মিথ্যা বলে, প্রতারণা করে এবং সামরিক আগ্রাসনের হুমকি দেয়। তাদের সাথে আলোচনায় বসা মানে নিজেদের দুর্বলতা প্রকাশ করা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সুযোগ পেলে যুক্তরাষ্ট্র আরও মানুষ হত্যা করবে এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাবে।
এদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি তেহরানকে “বিশ্বের সন্ত্রাসের এক নম্বর পৃষ্ঠপোষক” হিসেবেও আখ্যা দেন।
পাশাপাশি, পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, তারা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে প্রায় ৪০ গুণ বেশি ইউরেনিয়াম মজুত করেছে। যদিও ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তে একতরফাভাবে সেই চুক্তি থেকে সরে গিয়েছিল।
অন্যদিকে, তেহরান সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানায়, তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।