আগামী সোমবার (২৮ জুলাই) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আলোচনায় বসবেন কাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এবং থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই। উভয় দেশই মালয়েশিয়াকে আস্থা ভাজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নির্বাচন করেছে এবং অন্য কোনো দেশের সম্পৃক্ততা চায় না বলে জানিয়েছে।
গত ২৫ জুলাই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম দুই দেশের প্রতি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। কাম্বোডিয়া সেই প্রস্তাবে নিঃশর্ত সমর্থন জানালেও থাইল্যান্ড কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। থাই কর্তৃপক্ষের দাবি, কাম্বোডিয়াকে আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে।
চারদিনের তীব্র সংঘর্ষে দুই পক্ষ মিলিয়ে প্রাণহানি ঘটেছে ৩০ জনেরও বেশি মানুষের। থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছেন ২১ জন এবং কাম্বোডিয়ায় ১৩ জন। বাস্তুচ্যুত হয়েছে দুই লাখেরও বেশি মানুষ, যারা সীমান্তবর্তী অঞ্চল ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, সংঘর্ষ বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত থাকবে। এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং আসিয়ান-এর অন্যান্য সদস্য দেশও শান্তি ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে।
আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর সভাপতিত্বে থাকা মালয়েশিয়া দ্বন্দ্ব সমাধানে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান বলেন, “এটি শুধু থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার সীমান্ত বিরোধ নয়, বরং গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।”
সূত্র :রয়টার্স