শনিবার (৮ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এরদোয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, মক্কায় স্বাক্ষরিত চুক্তিটি পারস্পরিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টিও এতে স্বীকৃত হয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়নি। বরং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আগ্রহী অন্যান্য ভ্রাতৃপ্রতিম দেশও এতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।
এরদোয়ান আরও জানান, আঞ্চলিক দেশগুলোর নেতৃত্বে সংকট মোকাবিলার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তুরস্ক আন্তর্জাতিক আইন মেনে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিরোধ নিরসনের অবস্থান ধরে রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তিন দেশের আলোচনা ও চুক্তির মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের জন্য ইতিবাচক ফল আসবে।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের মক্কায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।