শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিন বাহিনীর প্রধান—সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান—নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শহিদদের প্রতি সম্মান জানান।
দিনভর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফজরের নামাজ শেষে দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও বিমানঘাঁটির মসজিদে দেশের উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহিদ সেনাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দিবস উদযাপন উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হবে। এতে প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পদমর্যাদার ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, তিন বাহিনীর সাবেক প্রধান, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, খেতাবপ্রাপ্ত সামরিক সদস্য ও তাদের উত্তরাধিকারীসহ নানা শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে।