মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো এবং সামনে দেশটির জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।
মার্কিন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প জানান, গত এক বছরে দেশটির প্রতিরক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তার বর্তমান মেয়াদে সামরিক খাতে মোট বিনিয়োগ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন (দেড় লাখ কোটি) ডলারে দাঁড়াবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, নতুন উদ্যমে শক্তিশালী হয়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ, সামর্থ্য, মানসিক শক্তি ও কর্মচাঞ্চল্য বিশ্বের অগ্রগতিতেও ভূমিকা রাখছে।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, একসময় তেহরানকে এমনভাবে শক্তি বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা তার ভাষায় বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছিল। ইরানকে ‘সন্ত্রাস ছড়ানো’ থেকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র পরে ব্যবস্থা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির যে ‘উন্মত্ত দৌড়’ চলছিল, যুক্তরাষ্ট্র তা বন্ধ করেছে।
তিনি বলেন, ইরান ওই প্রচেষ্টায় সফল হলে দেশটির শাসনব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস ও প্রাণহানি ঘটানোর সুযোগ পেত।