শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, শরিফ ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ডে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি আল্লাহর কাছে হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই অকাল শহীদি মৃত্যু আবারও প্রমাণ করে—রাজনৈতিক সহিংসতা কতটা ভয়াবহ মানবিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, হাদি ছিলেন একজন সাহসী রাজনৈতিক কর্মী ও আপসহীন কণ্ঠস্বর, যিনি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে তিনি জুলাইয়ের যোদ্ধাদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
শোকবার্তায় তিনি হাদির শোকাহত পরিবার, স্বজন ও সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যাতে আর কোনো সহিংস ঘটনা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে না পারে কিংবা গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে।