নিজের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে জয়শঙ্কর জানান, আরাঘচির সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি তিনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর এটি তাদের মধ্যে একাধিকবারের আলোচনার অংশ।
নয়াদিল্লিতে ইরানি দূতাবাস জানিয়েছে, এই আলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিও উঠে আসে। এতে বোঝা যাচ্ছে, উত্তেজনা সত্ত্বেও দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে কড়া বার্তা দিয়েছেন। ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একটি সমঝোতার চেষ্টা চলছে, তবে দ্রুত অগ্রগতি না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে—এমনকি তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা বাড়ছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপও তীব্র হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি যেমন সংলাপের দিকে এগোচ্ছে, তেমনি যেকোনো সময় নতুন করে জটিল হয়ে ওঠার ঝুঁকিও রয়ে গেছে।