রামাল্লাহ থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি নূর ওদেহ বলেন, ইসরায়েলি নেতৃত্বের বক্তব্যে আত্মবিশ্বাস থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করছেন, যুদ্ধের অগ্রগতি ইসরায়েলের পক্ষে এবং ইরান দুর্বল অবস্থায় আছে। তবে বিরোধীরা বলছে, সরকারের কাছে এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পরিকল্পনা নেই এবং পরিস্থিতি নিয়ে অতিরঞ্জন করা হচ্ছে।
এক মাস পেরিয়ে গেলেও সংঘাত থামেনি।
ইরান, হিজবুল্লাহ এবং হুথিদের হামলা মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত আকার নিয়েছে।
একই সময়ে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
একাধিক দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে গিয়ে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবহারের হার বেড়ে গেছে, ফলে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত ব্যবহার নীতি নিতে হচ্ছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইল দ্রুত কমে আসছে। ‘অ্যারো’ ও ‘ডেভিডস স্লিং’ সিস্টেম ব্যবহার করে শত শত লক্ষ্যবস্তু আটকাতে হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি ‘অ্যারো’ ইন্টারসেপ্টরের ব্যয় কয়েক লাখ ডলার পর্যন্ত। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ও উৎপাদন সক্ষমতাও চাপের মুখে রয়েছে।