জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির অভাবে উদ্ধার প্রক্রিয়া দ্রুত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে পুরো কাজ শেষ করতে কয়েক বছর, এমনকি সাত বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমান অগ্রগতি খুবই সীমিত—এখন পর্যন্ত মোট ধ্বংসাবশেষের এক শতাংশেরও কম সরানো গেছে। ফলে অসংখ্য মরদেহ এখনো ভাঙা ভবনের নিচে রয়ে গেছে, আর সেগুলো উদ্ধারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন স্বজনহারারা।
ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরঞ্জাম ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
অন্যদিকে, গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়াচ্ছে।
দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে বিপুল প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ধ্বংস হয়েছে। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন, আর গাজার অধিকাংশ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বিশাল অর্থের প্রয়োজন হবে। পুনর্গঠনের জন্য কয়েক দশক সময় এবং বিপুল আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার হতে পারে।