ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, খামেনি উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছেন এবং দেশাত্মবোধক গান ‘ও ইরান’ গাওয়ার জন্য শীর্ষ ধর্মীয় সঙ্গীতশিল্পী মাহমুদ কারিমিকে উৎসাহ দিচ্ছেন।
এর আগে চলমান সংঘাতের সময় খামেনির একটি রেকর্ড করা ভিডিও বার্তা প্রকাশিত হয়েছিল। তখন গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে তিনি বাংকারে আত্মগোপনে রয়েছেন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক এই উত্তেজনায় ইরানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা এবং পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।
গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও সেনাঘাঁটিতে আকস্মিক হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। পরে, ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং তারা ১২৫টি সামরিক বিমান ব্যবহার করে ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা থাকায় তার চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা জারি ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তারা খামেনেইয়ের অবস্থান সম্পর্কে অবগত, কিন্তু তাকে লক্ষ্য করে কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই—“এই মুহূর্তে”।
১২ দিন স্থায়ী এই সংঘাতে ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, প্রায় ৯০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।